সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার গঠনের আট মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফ বেঁচে গেলেন, পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জে বন্দুক জ্যাম! গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে ৪ জনের মৃত্যু মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাকের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৩ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০১৭ মামলা ৭ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার অমর একুশে বইমেলা-২০২৭ শুরু হবে নিজের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একটি স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি :প্রধানমন্ত্রী ‘মহাঅষ্টমী’ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি : প্রধানমন্ত্রী

ফরিদপুর সিভিল সার্জন অফিস: জালালকে ম্যানেজ করা ছাড়া মেলেনা সেবা

  • আপডেট সময় সোমবার, ২১ নভেম্বর, ২০২২, ৫.৩৬ পিএম
  • ২৬৮ বার পড়া হয়েছে

ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধিঃ ফরিদপুর সিভিল সার্জন অফিস যেন অনিয়মের আখড়া, এমনই অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। ফরিদপুর সিভিল সার্জন অফিস থেকে বিনা টাকায় কাজ করানো কম সৌভাগ্যের বিষয় নয়। বিভিন্ন চাকুরীর নিয়োগে মেডিক্যাল টেস্ট রিপোর্ট, বিদেশে যাওয়ার জন্য মেডিক্যাল রিপোর্ট, চিকিৎসক, সেবিকাদের কাজে,জেলার বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালের নতুন লাইসেন্স বা লাইসেন্স নবায়ন সহসব  ধরনের সেবা নিতে বিড়ম্বনার যেন শেষ নেই।

সাধারণ মানুষ কখনও সিভিল সার্জনের সাথে দেখা করার সুযোগ পায় না। অফিস সহকারীদের মাধ্যমেই সব কাজ করাতে হয়। সিভিল সার্জন অফিসের প্রধান অফিস সহকারি জালালের নেতৃত্বে এই সিন্ডিকেট চলে,লোক মুখে শুনা যায় এই সিন্ডিকেটের বড় একটা ভাগ সিভিল সার্জন  নিয়ে থাকে। এই সিন্ডিকেটের কোন ঝামেলা হলে সিভিল সার্জন ম্যানেজ করে থাকেন।

রাসেল নামে ভুক্তভোগী এক ব্যক্তি বলেন, আমার সরকারি চাকুরী হয়েছে। তাই আমি মেডিক্যাল সার্টিফিকেট আনতে সিভিল সার্জন অফিসে গিয়েছিলাম। আমার জানা ছিলো না যে, এখানে টাকা লাগে তাই আমি বেশি টাকা নিয়ে যাইনি।

কিন্তু সিভিল সার্জন অফিসেরর প্রধান সহকারী আমাকে বললো আমরা ৭/৮ জন আছি আমাদের মিষ্টি খাওয়ার জন্য কিছু দিয়ে যান। আমার কাছে বেশি টাকা ছিলো না কিন্তু তারা কোনভাবে ছাড়ছিলো না। অতঃপর আমি মানিব্যাগ বের করে তাদের দেখাই এবং আমি অনেক দূরে যাব তাই আমার গাড়ি ভাড়া ২’শ টাকা রেখে বাকিটা তাদের দিয়ে দেই। তিনি আরও বলেন, আমি তাদের বললাম, সিভিল সার্জনের সাথে আমি একটু দেখা করতে চাই কিন্তু তারা আমাকে বললেন, স্যার ব্যস্ত আছে, তাঁর সাথে দেখা করা যাবে না।

একজন মহিলা চিকিৎসক বলেন,আমি মাতৃত্বকালীন ছুটি চাইতে সিভিল সার্জন স্যারের কাছে গেলে সে বলে জালালের সাথে কথা বলেন,আমি জালাল সাহেবের সাথে কথা বলতে গেলে সে বলে ম্যাডাম স্যারকে একটু ম্যানেজ করতে হয় বুঝেন তো,আমি বললাম কি ধরনের ম্যানেজ সে বলল এতোদিন ছুটি কাটাবেন স্যারকে কিছু দিয়ে যান আমি স্যারকে বুঝাইয়া বলবনে,তারপর আমার কাছে দশ হাজার টাকা দাবি করেন,আমি টাকা টা দিলে দুইদিন পরই আমার ছুটি মঞ্জুর হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বেসরকারি হাসপাতাল মালিক বলেন,সিভিল সার্জন ও অফিসের প্রধান অফিস সহকারি জালাল কে ম্যানেজ না করতে পারলে লাইসেন্স নবায়ন হয়না।তারা দুইজন ক্লিনিক ভিজিটে গেলে তালবাহানা করে, যখন ঘুষ পায় ঠিক তখনই ক্লিনিকের সমস্ত কাগজপত্র ওকে হয়ে যায়।

এরা  জোটবন্ধ হয়ে কাজ করে বিধায় আমরা কারও কাছে কিছু বললে কোন কাজ হয়না।এই সিন্ডিকেট থেকে কবে আমাদের মুক্তি হবে আল্লাহ যানে।আর আমরা জালালের নামে ডিজি স্যার বরাবর অনেকবার অভিযোগ দিলেও কোন কাজ হয়নি।কোন বেসরকারি ক্লিনিক তাদের দুইজনকে ম্যানেজ করে চলতে পারলে তারা শত খারাপ কাজ করলেও কিছু হয়না।

এই বিষয়ে সিভিল সার্জন অফিসের প্রধান সহকারি জালালের কাছে জানতে চাইলে সে বলেন আমি এসব বিষয়ে কিছু জানিনা,যা লেখার লেখেন গিয়া।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com