সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার গঠনের আট মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফ বেঁচে গেলেন, পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জে বন্দুক জ্যাম! গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে ৪ জনের মৃত্যু মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাকের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৩ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০১৭ মামলা ৭ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার অমর একুশে বইমেলা-২০২৭ শুরু হবে নিজের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একটি স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি :প্রধানমন্ত্রী ‘মহাঅষ্টমী’ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি : প্রধানমন্ত্রী

নওগাঁয় ঝড়-বৃষ্টিতে আমের ও ধানের ব্যাপক ক্ষতি

  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২২ এপ্রিল, ২০২২, ৫.৪৭ পিএম
  • ২৬০ বার পড়া হয়েছে
নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁ কালবৈশাখী ঝড়ের তান্ডবে মৌসুমে  ফল আমের ব্যাপক ক্ষতি হলোও বৃষ্টিতে উপকার মিলেছে এবং ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বৃষ্টিতে আমের কিছুটা উপকার হলে ও ব্যাপক ক্ষতির হয়েছে ধানের।

বুধবার ভোর রাতে ৪টার দিকে তান্ডব শুরু হয়। উত্তর-পূর্ব কোণ থেকে ধেয়ে আসা এই ঝড়টি জেলার প্রায় প্রতিটি উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যায়। ঝড়ে বাতাসে স্থায়ী ছিলো প্রায় ১৫-২০ মিনিট। ঝড়ের তান্ডবের পরে শুরু হয় বৃষ্টি। ঝড় বৃষ্টির কারণে ধানের মাঠের পাকা-আধাপাকা ধানেরখেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বাতাসের কারণে আমের কিছুটা ক্ষতি হলেও পরে বৃষ্টি এসে সেটা আমের জন্য আশীর্বাদের রূপ নিয়েছে।

সরোজমিনে দেখা যায়, শেষ রাতে ঝড়ো হাওয়ায় ধানের মাঠের প্রায় ৯০শতাংশ ধান মাঠের জমির মাটিতে নুইয়ে পড়েছে। এতে করে ধান চাষী কৃষকদের গুনতে হবে বাড়তি টাকা।

রানীনগর উপজেলার বড়খোল গ্রামের ধান চাষী কৃষক সাদ্দাম হোসেন বলেন, বুধবার শেষ রাতের ঝড়ে আর বৃষ্টিতে তাঁর ১২ বিঘা জমিতে থাকা আধাটাকা ধানের গাছের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আর কিছু দিন পরে ধান কেটে ঘরে তোলা হবে।কিন্তু হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড়ে জমির সব ধান গাছ মাটিতে হেলে পড়ে গেছে। এখন এই জমির ধান কাটতে আমাকে বাড়তি টাকা গুনতে হবে।

সদর উপজেলা ও রানীনগর উপজেলার ধান চাষী আরও কৃষকদের সাথে কথা বললে তারা বলে, আমরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে অনেক কষ্ট করে ইরি-বোরো ধান চাষ করেছি এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় মাঠে এবার ধানের অবস্থা শুরু থেকেই ভালো ছিল। সবে মাত্র মাঠের ধান পাকতে শুরু করেছে এবং কিছু মাঠে ধান কাটা মাড়াই শুরু হয়েছে। আর এক সপ্তাহের মধ্যে এই এলাকা গুলোতে ধান কাটার ভর মৌসুম শুরু হয়ে যেত। সেখানে ধানকাটা থেকে আরও  ১০ দিন পিছিয়ে গেলো স্থানীয় কৃষকরা। কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টিতে আমাদের মাঠের ধান সব জমির সাথে লেগে গেছে আর নিচু জমিতে ধানের শীষ উপরে পানি উঠে গেছে এতে করে ধান চাষীদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

পত্নীতলা উপজেলার আম চাষী হান্নান, মামুন সহ আরও চাষীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রথম দিকের ঝড়ে হাওয়াতে আমের কিছুটা ক্ষতি হলেও পরে বৃষ্টি হওয়াতে আশীর্বাদ পরিণত হয়েছে। এবছর প্রচন্ড খরার আর বৈরী আবহাওয়ার কারনে গাছের অনেক আম ঝরে গেছে। মাটিতে রস শুকিয়ে যাওয়াই বাগান গুলোতে পানি শূন্যতা দেখা দিয়েছিল। যার ফলে গাছের আম ঝরে পরছিলো। মাটির রস ধরে রাখার জন্য এতোদিন শ্যালোমেশিন দিয়ে বাগানে সেচ দিয়ে পরিচর্যা  করতে হয়েছে। রাতের এই বৃষ্টি কারনে সেচ খরচ কমে এসেছে আর আমের অনেক উপকার হয়েছে। মাটিতে রস ও ধরেছে এখন আর জমিতে সেচ দিতে হবে না। এখন আর কোন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে আবহাওয়া ভালো থাকলে বাগান থেকে অনেক টাকা আয় করবে এমন আসা স্থানীয় কৃষকের।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শামছুল ওয়াদুদ বলেন, মাঠের প্রায় সব ধান জমিতে শুয়ে পড়েছে। তবে পাকা এবং আধা পাকা ধান হওয়াই ধানের খুব একটা ক্ষতি হবে না।
তিনি আরও বলেন, এই বৃষ্টির কারণে আমের ব্যাপক উপকার হবে বলে মনে করি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com