সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার গঠনের আট মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফ বেঁচে গেলেন, পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জে বন্দুক জ্যাম! গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে ৪ জনের মৃত্যু মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাকের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৩ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০১৭ মামলা ৭ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার অমর একুশে বইমেলা-২০২৭ শুরু হবে নিজের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একটি স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি :প্রধানমন্ত্রী ‘মহাঅষ্টমী’ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি : প্রধানমন্ত্রী

নওগাঁয় কোটি টাকার মরিচ বেচাকেনা হলেও রাজস্ব পাচ্ছে না সরকার

  • আপডেট সময় সোমবার, ৩০ আগস্ট, ২০২১, ৭.৪৬ পিএম
  • ৩৬৪ বার পড়া হয়েছে
সোহেল রানা,নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ নওগাঁর মহাদেবপুরে অবৈধ মরিচের হাট বসিয়ে সিন্ডিকেট করে প্রতিদিন লক্ষ টাকা ভাগ বাটোয়ারা করে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।কোটি টাকার মরিচ বেচাকেনা হলেও রাজস্ব পাচ্ছে না সরকার। ১৬ বছর ধরে চলছে এ হাট। কিন্তু কোনই আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ। প্রশাসন বলছে বিষয়টি তাদের জানা নেই।
উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম দক্ষিণ লক্ষিপুর এলাকায় লাগানো হয়েছে মরিচের পাইকারি হাট। প্রতিদিন এখান থেকে ট্রাকে ট্রাকে মরিচ ঢাকা, চট্রগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন শহরে যাচ্ছে। আড়ৎদারদের বেঁধে দেয়া দামেই হাটে মরিচ বিক্রি করতে হচ্ছে চাষীদের। সিন্ডিকেটের কারণে নায্যমূল্য বঞ্চিত হচ্ছে কৃষকরা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০০৫ সালে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ১০ শতক জমির উপর হাটটি বসান। তখন সপ্তাহে একদিন বসতো। চার বছর থেকে বসছে প্রতিদিন। মরিচের অফ সিজনে হাট বন্ধ থাকে। ভরা মওসুমে প্রতিদিন ৫০-৬০ মেট্রিকটন মরিচ বিক্রি হয়। বাজারদর নিয়ন্ত্রণ করে ২৭ আড়ৎ সিন্ডিকেট। হাটে এখন পাইকারী মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা দরে। আর উপজেলার বিভিন্ন বাজারে খুচরা বিক্রি হচ্ছে ৮০-৯০ টাকা কেজি। প্রতিদিন সকালে আড়ৎদাররা মরিচের দাম ঘোষণা করে। সেই অনুযায়ী একই দামে মরিচ কেনে তারা।
হাটে গিয়ে দেখা যায়, জমজমাট চলছে বেচাকেনা। মরিচ বিক্রি করতে আসা মোকলেছার রহমান জানান, ১৯ কেজি মরিচ হাটে এনেছেন। বিক্রি করেছেন প্রতিকেজি ৫৭ টাকা দরে। আড়ৎদার ধলতা হিসেবে এক কেজি মরিচ বিনা পয়সায় নিয়েছেন। মরিচচাষী জাহিদ হাসানও জানালেন একই কথা। হাটে টিনের ছাউনি দেয়া শেডে মরিচ কিনছিলেন আড়ৎদার আলমগীর হোসেন। এদিন তিনি দুই হাজার ৯৬৪ কেজি মরিচ কিনেছেন বলে জানান। তারা রয়েছেন মোট ২৭ জন।
নওগাঁ আড়তের পাইকারদের কাছ থেকে শুনে তারা মরিচের দিনের দাম নির্ধারণ করেন। আলমগীর মরিচ দেন নওগাঁ আড়তের পাইকার সোহেল রানার কাছে। তার বেধে দেয়া দামে মরিচ কিনেন তিনি। এছাড়া অন্যরা ঢাকা, চট্রগ্রামের আড়ৎদারদের বেধে দেয়া দামে মরিচ কিনেন। হাটের উন্নয়নের জন্যও টনপ্রতি নেয়া হয় ১০০ টাকা। একই কথা জানালেন কুতুবুল আলম, দুলাল হোসেন, সেফাতুল ইসলামসহ আরও কয়েকজন আড়ৎদার।
সফাপুর ইউপি চেয়ারম্যান সামসুল আলম বাচ্চু বলেন, হাটটি থেকে সরকার ও ইউনিয়ন পরিষদ কোন রাজস্ব পায়না। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ অরুন চন্দ্র রায় বলেন, ঝালের আবাদ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিজানুর রহমান মিলন বলেন, ঝালের হাটের বিষয়টি তার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন তিনি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com