সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকারকে ঝামেলায় ফেলতেই পতিত দোসররা নাশকতাসহ ষড়যন্ত্র করছে: ফরিদপুরে-রুহুল কবীর রিজভী জন্মদিনে নতুন প্রাপ্তির গল্প, আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের নৃত্যশিল্পী নাইমুজ ইনাম নাইম ইতিহাসের সেরা ফুটবলার দাবি রোনালদোর বগুড়ার সোনাতলায় নিখোঁজের তিনদিন পর এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম উপসর্গে ৭ শিশুর মৃত্যু গাজীপুরের ড্রাগ ইন্টার ন্যাশনালের ওষুধ কারখানার আগুন সোয়া ৩ ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২৯১০ মামলা বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী এলপিজি নিয়ে জনগণকে জিম্মির চেষ্টা করলে আইনি ব্যবস্থা : জ্বালানিমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার ভ্রাম্যমাণ ল্যাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার দাবি অযত্ন অবহেলায় রাণীশংকৈলে রাজারবাড়ী

  • আপডেট সময় শনিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২০, ৬.০৯ পিএম
  • ৬৭৭ বার পড়া হয়েছে

 

মোঃ সবুজ ইসলাম,রানীশংকৈলঃ অযত্ন আর অবহেলায় দাঁড়িয়ে আছে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলের রাজা টংকনাথের রাজবাড়ী।১৯ শতকের শেষ ভাগে নির্মিত হয় ঠাকুরগাঁওয়ের মালদুয়ার জমিদার রাজা টংকনাথের রাজবাড়ীটি। সংরক্ষণের অভাবে এরই মধ্যে নষ্ট হয়ে গেছে বেশকিছু অংশ। চুরি হয়ে গেছে দরজা, জানালা ও লোহার বিভিন্ন জিনিস। সংস্কার না হলে যেকোন সময় ভেঙ্গে পড়তে পারে ইতিহাসের সাক্ষী এ রাজবাড়ি এমন আশংঙ্কা করছে এলাকাবাসী সেই রাজা টংকনাথের ইতিহাস সংরক্ষণ ও রাজবাড়ী সংস্কার করে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছে রাণীশংকৈলবাসী।

স্থানীয়দের কাছে মালদুয়ার জমিদার বাড়িটি রাজবাড়ি হিসেবেই বেশি পরিচিত। প্রায় প্রতিদিনেই অনেক দর্শনার্থী বেড়াতে আসেন এই রাজবাড়িতে । ১৯০০ খ্রিস্টাব্দের প্রথমদিকে এ জনপদটি ছিল মালদুয়ার পরগনার অন্তর্গত। পরে জমিদার বুদ্ধিনাথের ছেলে টংকনাথ ব্রিটিশ সরকারের আস্থা লাভ করতে ‘মালদুয়ার স্টেট গঠন করেন।

রাজা টংকনাথ চৌধুরীর স্ত্রীর নাম ছিল জয়রামা শঙ্করী দেবী। ‘রানীশংকরী দেবীর নামানুসারে মালদুয়ার স্টেট হয়ে যায় ‘রানীশংকৈল’। যা বর্তমানে রাণীশংকৈল উপজেলা নামে পরিচিত।

রাণীশংকৈল উপজেলার কুলিক নদীর উপরে নির্মিত ব্রিজ । যা উপজেলায় বড় ব্রিজ নামেই পরিচিত। এই ব্রিজ পেরিয়ে বামের ছোট রাস্তা(বাজার সংলগ্ন) দিয়ে নদী ঘেঁষা পথে একটু যেতেই চোখে পড়ে রাজা টংকনাথ চৌধুরীর চমৎকার বাড়িটি।

এ বাড়ির প্রধান ভবনটি একসময় কারুকাজে সজ্জ্বিত ছিল। অনেক পুরাতন হলেও এখনো অনেকটা স্পষ্ট প্রাচীন কারুকার্য গুলো। ঝড় বৃষ্টিতে রং নষ্ট হলেও লাল রঙের দালানটি এখন শুধু কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এর স্থাপত্যশৈলীতে আধুনিকতার ছোঁয়া এখনো স্পষ্ট। এখন সেগুলোর কিছুই এখন আর অবশিষ্ট নেই।

রাজবাড়ির পূর্বদিকে রয়েছে পুকুর। পুকুরের চারদিকে নানা ধরনের গাছগাছালি। জমিদার বাড়ির দক্ষিণে জয়কালী মন্দির। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় এ মন্দিরটি অনেক প্রাচীন। জমিদার বাড়ির সামনে টাঙ্গানো তথ্য থেকে জানা যায় রাজা টংকনাথের নানা কাহিনী। টংকনাথ মূলত ব্রিটিশ আমলে ইংরেজ কর্তৃক উপাধি প্রাপ্ত একজন জমিদার। আরো জানা যায়, টাকার নোট পুড়িয়ে জনৈক ব্রিটিশ রাজকর্মচারীকে চা বানিয়ে খাইয়ে টংকনাথ “চৌধুরী” উপাধি লাভ করেছিলেন। এরপর দিনাজপুরের মহারাজ গিরিজনাথ রায়ের বশ্যতা স্বীকার করে ‘রাজা উপাধি পান। তখন থেকে তিনি রাজা টংকনাথ চৌধুরী নামেই পরিচিত।

জেলা প্রশাসক ড. কে.এম কামরুজ্জামান সেলিম বলেন, শীঘ্রই বাড়িটি সংস্কার করে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com